মা ও আড়াই বছরের শিশুকে নিশংস ভাবে খুনের ঘটনা ঘটলো দক্ষিণ 24 পরগনার ঢোলাহাটে। ঘরে ঢুকে মা ও শিশুকে গলার নলি কেটে খুন করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। স্থানীয়রা মনে করেন, বিবাহ বহির্ভূত একাধিক সম্পর্কের টানাপোড়েনে বলি হতে হয়েছে মা ও সন্তানকে। স্বামীর অন্য পক্ষের স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদের ফলে এই ঘটনা বলে মনে করছেন তারা। ঘটনাটির তদন্তে নেমেছে ঢোলাহাট থানার পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাবেলা। ঢোলাহাট এলাকার শিবনগর গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার পাইক সেই সময় গ্রামে একটি বৈঠকখানায় গিয়েছিলেন। তখন ঘরে তার স্ত্রী ও তার আড়াই বছরের সন্তান একাই ছিলেন। মন্দির বাজারের ডিএসপি দিবাকর দাস বলেন, আচমকা সাড়ে সাতটা নাগাদ কিছু দুষ্কৃতী ঘরে ঢুকে পড়ে। প্রতিবেশীরা জানান, সেই মহিলার গলার নালী কাটার পরেও হাত ও পায়ের শিরা কেটে দেওয়া হয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে। আর শিশুটিকে পাশের ভেড়ির জলে ফেলে দেয় দুষ্কৃতীরা। পরবর্তীতে সেখানে মৃত্যু হয় শিশুটির।

এই পুরো ঘটনাটির একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন সেই মহিলার আরেক সন্তান। ওই কিশোর তার বয়স 11 বছর সে পুলিশকে জানায়, চারজনকে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখে সে কিন্তু খুনের বিষয়ে সে কিছুই জানেনা। পরে তার মাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশীদের গিয়ে খবর দেয় সেই কিশোর। কিন্তু এরকম নিশংস ঘটনা আচমকা কেন ঘটলো? কেনইবা এভাবে ঘরে ঢুকে গলার নলি কেটে খুন হতে হল সেই মহিলা এবং তার শিশুকে? কারাই বা জড়িত রয়েছে এর পিছনে? এই সমস্ত প্রশ্নের কোনো কূলকিনারা না মিললেও প্রতিবেশীরা মনে করছেন যে, আনোয়ারের প্রথম পক্ষের যে স্ত্রী রয়েছে তার সঙ্গে কোন সমস্যা চলছিল তার দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রীর। তদন্তে নেমেছেন ঢোলাহাট থানার পুলিশ।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন